cropped-Black-White-Minimalist-Business-Logo.jpg
burimari land port বুড়িমারী স্থল বন্দর

বুড়িমারী স্থল বন্দর(Burimari Land Port) বাংলাদেশের লালমনিরহাট জেলার অন্তর্ভুক্ত। এটি হচ্ছে বাংলাদেশের তৃতীয় বৃহত্তম স্থল বন্দর, যেটা প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯৮৮ সালে। প্রতিষ্ঠিত হওয়ার কারণ ভারত, ভুটান ও নেপালের সাথে সড়কপথে পণ্য আমদানি রপ্তানির কার্য-প্রক্রিয়া সম্পাদন। 

হ্যালো এভরিওয়ান আসসালামু আলাইকুম, সবাইকে আমাদের আজকের পোস্টে জানাই স্বাগতম। অনেক সময় আমরা পর্যটন স্থান হিসেবে এই ধরনের স্থল বন্দর গুলো বেছে নেই। আর তাই আজ আমরা আমাদের এই পোস্টে, বুড়িমারী স্থল বন্দরে পৌঁছানোর উপায়, বুড়িমারী পৌছানোর খরচ এবং সেখানে থাকা খাওয়ার বিষয়ে জানাবো খুঁটিনাটি। তাহলে আসুন জেনে নেই– বুড়িমারী স্থলবন্দর সম্পর্কে এ টু জেড।

বুড়ি বাড়ি স্থলবন্দর | এক নজরে বুড়িমারী স্থলবন্দর এর পরিচিতি
বাংলাদেশ স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষের নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় পরিচালিত
১২ জানুয়ারি ২০০২ তারিখ বুড়িমারী শুল্ক স্টেশনকে স্থলবন্দর ঘোষণা করা হয়
০৯ এপ্রিল ২০১০ তারিখ বন্দরের কার্যক্রম শুরু হয় 
বুড়িমারী স্থলবন্দর হতে রাজধানী ঢাকার দূরত্ব প্রায় ৪০০ কিলোমিটার.  এবং ভুটানের দূরত্ব প্রায় ১০৮ কিলোমিটার. 
এ বন্দর দিয়ে ভারত, নেপাল ও ভুটানের সাথে আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম পরিচালনা হয়
বুড়িমারী স্থলবন্দর লালমনিরহাট জেলার পাটগ্রাম উপেজলার বুড়িমারী সীমান্তে অবস্থিত। এ বন্দরের বিপরীতে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের মেখলিগঞ্জ মহাকুমার চেংড়াবান্ধা এলসিএস রয়েছে
ইমেইল burimarilandport.23@gmail.com
ঠিকানা:বুড়িমারী স্থলবন্দর, বুড়িমারী, পাটগ্রাম, লালমনিরহাট, http://burimari.bsbk.gov.bd/
ফোন: ০১৭১৬৬৩২১৯০, ফ্যাক্স: ০১৭১৬৬৩২১৯০

আরো দেখুন: বাংলাবান্ধা জিরো পয়েন্ট এবং আন্ধারমানিক বান্দরবান টুরিস্ট স্পট সম্পর্কে বিস্তারিত।

বুড়িমারী স্থল বন্দর (Burimari Land Port)এর বিবরণ

বুড়িমারী স্তর বন্দর বাংলাদেশের একটি অন্যতম স্থল বন্দর হিসেবে পরিচিত। যেটা পাটগ্রাম উপজেলায় অবস্থিত এবং পাটগ্রাম উপজেলা থেকে এই বুড়িমারী স্থলবন্দরের দূরত্ব মোটামুটি ১৪ কিলোমিটার। জানা গিয়েছে বাংলাদেশ মূলত এই স্থল বন্দর ব্যবহার করে আমদানি করে থাকে কয়লা, কাঠ, পাথর, সিমেন্ট, চায়না ক্লে, কোয়ার্টজ, রাসায়নিক সার, প্রাণিজ খাবার, কসমেটিক সামগ্রী এবং বিভিন্ন ধরনের ফল। আরো রয়েছে চাল ডাল রসুন পেঁয়াজ আদা সহ বিভিন্ন বীজ। একইভাবে বাংলাদেশ ইলিশ মাছ মেলামাইন এবং অন্যান্য আরো কিছু পণ্য সামগ্রী রপ্তানি করে থাকে এই বুড়িমারী স্থল বন্দর পথে। 

বুড়িমারী স্থল বন্দর পৌঁছানোর উপায়

ঢাকা এবং লালমনিরহাট জেলা সড়কপথে সংযুক্ত। অতএব আপনি বুড়িমারী স্থল বন্দর ঢাকা থেকে বাসে করে পৌঁছাতে পারবেন। এ পর্যায়ে আমরা কয়েকটি বাস এর নাম এবং বাস ছাড়ার সময়সূচী সম্পর্কে কিছু ইনফরমেশন সংযুক্ত করছি। আপনি মূলত এই বাসগুলোতে চেপে খুব সহজেই বুড়িমারীতে পৌঁছাতে পারবেন। 

1. ডিআর এন্টারপ্রাইজ

শুরুর সময়: 8:30pm

বাস ভাড়া: 450- 500 টাকা 

2. এস আর ট্রাভেলস

গাবতলী, যোগাযোগ: 02-8011226

কল্যানপুর, যোগাযোগ: 02-8013793, 01711-394801

আব্দুল্লাহপুর, যোগাযোগঃ 0171944023

উত্তরা, যোগাযোগ: 01552315318

3. কুড়িগ্রাম পরিবহন

যোগাযোগ: 01924-469 437, 01914-856 826

4. বাবলু এন্টারপ্রাইজ

শ্যামলী, যোগাযোগ: 8120653, 01716 932 122

মূলত এই প্রত্যেকটি পরিবহনে যেতে আপনার মোটামোটি 450 থেকে 500 টাকা ভাড়া হিসেবে অর্থ খরচ করতে হবে। অতঃপর লালমনিরহাট থেকে রিক্সায় চেপে অথবা আবারও লোকাল বাস কিংবা নৌকা ব্যবহার করে আপনি পৌঁছাতে পারবেন স্থল বন্দর বুড়িমারীতে। 

কোথায় থাকবেন, কোথায় খাবেন

বুড়িমারী স্থল বন্দরে অর্থাৎ লালমনিরহাটে থাকার জন্য রয়েছে বেশ কিছু জায়গা। তবে সেখানে থাকার জন্য আপনি একদমই উন্নত মানের কোন আবাসিক হোটেল খুঁজে পাবেন না। তবুও সেখানে বর্তমানে অবস্থিত কয়েকটি জনপ্রিয় গেস্ট হাউস রয়েছে। সেগুলো হলো—

  • আরডিআরএস গেস্ট হাউস: এটি খুবই নিরিবিলি পরিবেশের একটি গেস্ট হাউস। যেখানে আপনি একদমই ঘরোয়া পরিবেশে খাদ্য এবং নন অ্যালকোহল যুক্ত পানিও ও আধুনিক কিছু খাবার সবকিছুই একসঙ্গে পেতে পারেন। তাছাড়াও সেখানে রয়েছে এসি এবং নন-এসি রুমের ব্যবস্থা। চাইলে যোগাযোগ করতে পারেন ০১৭১৩২০০১৮৫ এই নম্বরে।

 এছাড়াও আরো রয়েছে প্যারাডাইস রেস্টুরেন্ট এন্ড হোটেল। এখানে মূলত আপনি থাকার জন্য ভালো মানের জায়গা পেয়ে যাবেন। এই হোটেলের পুরো ঠিকানা রেল গেট, পুরান বাজার রোড, লালমনিরহাট সদর, ৫৫০০. যোগাযোগ করতে এখনই কল করতে পারেন ০১৭৪৪৮৫৯১৯১ নম্বরে। 

বুড়িমারী স্থল বন্দর (burimari land port) ভ্রমণ পরামর্শ ও সর্বশেষ কথা

বুড়িমারী স্থলবন্দর ভ্রমণের জন্য একটি ভালো জায়গা। যারা ছবি তুলতে পছন্দ করেন অথবা ব্লগ ভিডিও তৈরি করেন তাদের জন্য বলা যায় খুবই ভালো একটি স্থান এটি। আপনি সেখানে গিয়ে স্থানীয় বাজার থেকে প্রয়োজনীয় বিভিন্ন ধরনের জিনিস যেমন সংগ্রহ করতে পারবেন সেই সাথে একটি অন্যরকমের সৌন্দর্য উপভোগ করতে পারবেন। আর তাই বাংলাদেশের বুড়িমারী স্থল বন্দরটি পরিদর্শনে যেতে পারেন। 

তো পাঠক বন্ধুরা, আজকের আলোচনা এপর্যন্তই। যদি বুড়িমারী স্থলবন্দর ভ্রমণ সম্পর্কে আরো কিছু প্রশ্ন বা মন্তব্য থাকে আমাদের কমেন্ট সেকশনে জানিয়ে দিন। সবাই ভালো থাকুন সুস্থ থাকুন আল্লাহ হাফেজ।

নতুন দর্শনীয় স্থান