cropped-Black-White-Minimalist-Business-Logo.jpg
বাংলাবান্ধা জিরো পয়েন্ট Banglabanda zero point

বাংলাবান্ধা জিরো পয়েন্ট হিমালয় কন্যা পঞ্চগড় জেলা এবং তেতুলিয়া উপজেলার সীমান্তবর্তী একটি ল্যান্ডমার্ক, যেটি এই মুহূর্তে অনেকের কাছেই একটি সুপরিচিত গন্তব্যস্থল হিসেবে বিবেচিত। যারা বাংলার প্রকৃতির সৌন্দর্য উপভোগ করতে চান এবং বাংলাদেশের আনাচে-কানাচে থাকা সুন্দর পরিচিত স্থানগুলো একবারের জন্য হলেও ঘুরতে চান, তাদেরকে জানাই আমাদের আজকের পোস্টে স্বাগতম।

কেননা বাংলাবান্ধা জিরো পয়েন্ট-এ কি কি রয়েছে, এই পয়েন্টটি কোথায় অবস্থিত, এর আয়তন কত কবে নির্মিত হয়েছে এবং সেখানে গেলে আপনি বিশেষভাবে কোন কোন জিনিসগুলো উপভোগ করতে পারবেন সে সম্পর্কেই বিস্তারিত জানাবো আপনাদেরকে। পাশাপাশি সেখানে যাওয়ার মাধ্যম বা উপায় সমূহ এবং বাংলাবান্ধা জিরো পয়েন্ট পৌঁছানোর পর থাকা খাওয়ার ব্যবস্থা কি, সে সম্পর্কেও জানাবো খুঁটিনাটি। 

বাংলাবান্ধা জিরো পয়েন্ট | বাংলাবান্ধা জিরো পয়েন্ট এর অবস্থান

বাংলাদেশের উত্তরের উপজেলা তেতুলিয়া এর সীমান্তবর্তী ল্যান্ডমার্ক বাংলা বান্ধা জিরো পয়েন্ট। এরপরে রয়েছে আমাদের প্রতিবেশী দেশ ভারতের বর্ডার। এটি বাংলাদেশের এমন একটি জায়গা হিসেবে পরিচিতি লাভ করেছে যেখানে গেলে আপনি প্রতিদিন ভ্রমণ পিপাসুদের উপস্থিতি দেখতে পারবেন। 

শুধু এপার বাংলার নয়, ওপার বাংলার অনেক ভ্রমণ পিপাসুদের আগমন ঘটে সেখানে। আর তাই আপনি যদি অল্প খরচে বাংলাদেশের একটি পরিচিত জায়গা ঘুরে আসতে চান তাহলে, বাংলাবান্ধা জিরো পয়েন্টে যেতে পারেন এখনই। তবে সেখানে কিভাবে যাবেন, কোন কোন মাধ্যমে যেতে পারবেন, কত টাকা খরচ পড়বে সে সম্পর্কে জানাবো বিস্তারিত। 

আর হ্যাঁ, পাশাপাশি আপনি চাইলে আরো পড়তে পারেন কলাতলী সী বিচ এবং নুহাশ পল্লী সম্পর্কিত পোস্ট, যেগুলো আমরা ইতিমধ্যে আমাদের ওয়েবসাইটে প্রকাশ করেছি। পাশাপাশি বাংলাদেশসহ বাইরের বিভিন্ন গন্তব্যস্থল সম্পর্কে জানতে এবং ভ্রমণ খরচ ও ভ্রমণ টিপস পেতে নিয়মিত ভিজিট করতে পারেন আমাদের ওয়েবসাইট। কেননা অডিয়েন্সদের চাহিদার কথা বিবেচনা করে আমরা আমাদের ওয়েবসাইটে নিয়মিত ভ্রমণ সম্পর্কিত আর্টিকেল প্রকাশ করে থাকি। 

বাংলাবান্ধা জিরো পয়েন্ট | বাংলাবান্ধা জিরো পয়েন্ট এর প্রধান আকর্ষণ

বাংলাবান্ধা জিরো পয়েন্ট এর প্রধান আকর্ষণ হচ্ছে এটি বাংলাদেশের শেষ প্রান্ত এবং সেখান থেকেই বাংলাদেশের শুরু। মূলত জিরো পয়েন্টের কাছে গেলে দেখা যায়— বিশাল আকারের একটি জিরো, যেটা ইট পাথর দ্বারা নির্মিত। বাংলাবান্ধা জিরো পয়েন্ট এ আপনি যদি পৌঁছান তাহলে খুবই সুন্দরভাবে ইট পাথরের দ্বারা নির্মিত বিশাল আকৃতির জিরো টি দেখেই এটা বুঝতে পারবেন যে ইতোমধ্যে আপনি পৌঁছে গিয়েছেন আপনার গন্তব্যস্থল বাংলা বান্ধা জিরো পয়েন্টে। আর তার ওপারে রয়েছে আমাদের প্রতিবেশী দেশ ভারত। কারণ জিরো পয়েন্টের কাছেই বাংলাদেশ এর সীমান্তের শেষ এবং ওপারে ভারতের সীমান্তের শুরু। 

মূলত এই স্থানের দেখার প্রধান আকর্ষণ হচ্ছে কংক্রিট দিয়ে নির্মাণ করা বিশাল আকৃতির এই গোল্লা অর্থাৎ শূন্য। বিশেষ করে যারা সেলফি প্রেমিক,  তাদের জন্য অত্যন্ত বেশি প্রাধান্য পায় এই স্থানটি। এছাড়াও সেখানে ভারত এবং বাংলাদেশের সীমান্তরক্ষীদের আয়োজনে পতাকা উত্তোলন অনুষ্ঠান এবং বিভিন্ন বিশেষ প্যারেড অনুষ্ঠান বেশ মনোমুগ্ধকর, যেগুলো ভ্রমণ পিপাসুদের অনেক বেশি আকৃষ্ট করে। 

কেননা ওই অনুষ্ঠানগুলো ভারত পাকিস্তানের ওয়াগা সীমান্তের প্যারেডের কথা মনে করিয়ে দেয় অতি সহজেই। এছাড়াও বাংলাবান্ধা জিরো পয়েন্ট এর আশেপাশে রয়েছে দেখার মত কিছু সুন্দর জায়গা। বিশেষ করে চা বাগান, পাথরের জাদুঘর, দেবাগঞ্জ সেতু এবং করতোয়া নদী এই স্থানগুলো পর্যটকদের কাছে অধিক বেশি সুন্দরতম স্থান হিসেবে প্রাধান্য পেয়েছে। আর তাই বাংলাবান্ধা জিরো পয়েন্টের আকর্ষণীয় জায়গা সমূহ দেখতে এখনই পরিকল্পনা করতে পারেন সেখানে যাওয়ার। 

বাংলাবান্ধার জিরো পয়েন্টে পৌঁছানোর মাধ্যম

বাংলাবান্ধা জিরো পয়েন্টে যাওয়ার উপায় জানাবো আলোচনার এ পর্যায়ে। দেখুন আপনি পৃথিবীর যে প্রান্তেই যান না কেন, নয় আপনাকে সড়ক মাধ্যমে যেতে হবে, অথবা নৌ মাধ্যম কিংবা আকাশ মাধ্যম। তবে বাংলাদেশ থেকে আপনি সড়ক মাধ্যমেই পৌঁছাতে পারবেন বাংলাবান্ধা জিরো পয়েন্টে। যদি বাসে করে যেতে চান তাহলে একটি নির্দিষ্ট অ্যামাউন্টের টাকা খরচ পড়বে অন্যদিকে ট্রেনে যেতে চাইলে আলাদা এমাউন্টের টাকা খরচ পড়বে। 

এ পর্যায়ে আমরা বাংলাবান্ধা জিরো পয়েন্টে পৌঁছানোর খরচ সম্পর্কে ধারণা দেওয়ার চেষ্টা করব। কেননা আমাদের নির্ধারিত খরচের থেকে আপনার খরচ কম অথবা বেশি হতে পারে, কেননা আপনি কোন জেলা থেকে যাত্রা শুরু করবেন এটা অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ। তবে ঢাকা থেকে বাংলাবান্ধা জিরো পয়েন্টে যাওয়ার মাধ্যম এবং বাসে ও ট্রেনে যেতে মোটামুটি কত খরচ পড়তে পারে সেটাই দেখুন এ পর্যায়ে। 

বাংলাবান্ধা জিরো পয়েন্টে ঢাকা থেকে বাসে করে যাওয়ার খরচ: ঢাকা থেকে পঞ্চগড় জেলা অর্থাৎ তেতুলিয়া উপজেলাতে পৌঁছাতে নন এসি বাসে প্রত্যেক জনের ভাড়া পড়বে ৫৫০ থেকে ৭০০ টাকা। অন্যদিকে এসি বাসের ক্ষেত্রে ৮০০ থেকে ১৬০০ টাকা। আর আপনি মূলত বেশ কয়েকটি বাসে চেপে পৌঁছাতে পারবেন সেখানে। সেগুলো হলো– ঢাকার শ্যামলী গাবতলী বাস টার্মিনাল ও মিরপুর থেকে নাবিল পরিবহন, তানজিলা ট্রাভেল, হানিফ এন্টারপ্রাইজ এবং বরকত ট্রাভেল বাস সহ প্রভৃতি। 

বাংলাবান্ধা জিরো পয়েন্টে ঢাকা থেকে ট্রেনে যাওয়ার খরচ: যারা ট্রেনে ভ্রমণ করতে পছন্দ করেন তারা বাংলাবান্ধা জিরো পয়েন্টে রেল মাধ্যমে যেতে পারবেন। এক্ষেত্রে কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশন থেকে পঞ্চগড় এক্সপ্রেস একতা অথবা দ্রুতযান এক্সপ্রেসের যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিতে হবে আপনাকে। এক্ষেত্রেও আপনার খরচ পড়বে ৫৫০ টাকা থেকে শুরু করে ১০৫৩ অথবা ১৯৪২ টাকা। 

এখন আসুন জেনে নেই– পঞ্চগড়ে পৌঁছানোর ট্রেনগুলো সাধারণত ঠিক কয়টায় কোন স্থান থেকে রওনা দেয়। এর জন্য নিচের চার্টটি মনোযোগ সহকারে লক্ষ্য করুন। 

বাসের নাম সময়সূচী
দ্রুতযান এক্সপ্রেস ঢাকা থেকে রওনা দেয় রাত ৮.০০তে এবং পঞ্চগড়ে পৌঁছায় ঠিক সকাল ছয়টা দশ মিনিটে
একতা এক্সপ্রেস ঢাকা থেকে রওনা দেয় সকাল ১০.১০ মিনিটে এবং পঞ্চগড় পৌঁছায় রাত নয়টা নাগাদ
পঞ্চগড় এক্সপ্রেস রওনা দেয় রাত ১০.৪৫ মিনিটে এবং পঞ্চগড়ে পৌঁছায় বেলা ৮.৫০ মিনিট নাগাদ

বাংলাবান্ধা জিরো পয়েন্ট ভ্রমণের উপযুক্ত সময়

বাংলাবান্ধা জিরো পয়েন্টে আপনি বছরের যে কোন সময়ে যেতে পারেন। তবে বর্তমানে এই সময়টা সবচেয়ে উপযুক্ত বাংলাবান্ধা জিরো পয়েন্ট ভ্রমণের। অতএব শীতকাল। কেননা এই সময় সেখানে রাস্তাঘাট থাকে অত্যন্ত পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন, এর ফলে সেখানের প্রাকৃতিক ভিউ টা অনেক বেশি সুন্দর হয় এমনকি যানবাহন চলাচলে খুব বেশি সমস্যার সম্মুখীন হতে হয় না। 

তবে এর বাইরে আপনি শরৎ হেমন্ত এই সময়েও যেতে পারেন বাংলাবান্ধা জিরো পয়েন্টে। কেননা যে কোন জায়গাতেই এই সময়ে পরিবেশটা অনেক বেশি সুন্দর দেখায়। অতএব ইংরেজি মাসের হিসাব করলে আগস্ট থেকে নভেম্বর মাসের মধ্যে আপনি ভ্রমণের জন্য যেতে পারেন সেখানে, কারণ সবদিক বিচার বিবেচনা করে আমাদের মতে বাংলাবান্ধা জিরো পয়েন্ট ভ্রমণের সঠিক সময় হচ্ছে এটি। 

মনে রাখবেন আপনি পৃথিবীর যে প্রান্তে ভ্রমণ করতে যান না কেন, সেখানে প্রাকৃতিক পরিবেশটা অনেক বেশি মনোমুগ্ধকর এবং স্নিগ্ধপূর্ন পরিবেশ উপভোগ করতে হলে অবশ্যই ভ্রমণের সঠিক সময়টা বেছে নেওয়া অত্যন্ত জরুরী। এতে করে আনন্দটাও বেশি পাওয়া যায় এবং সময় হয়ে ওঠে অনেক বেশি প্রফুল্লময়। 

থাকা-খাওয়া ও কেনাকাটা

বাংলাবান্ধা জিরো পয়েন্ট অর্থাৎ পঞ্চগড় জেলার তেতুলিয়া উপজেলাতে আপনি যদি ভ্রমণে যান তাহলে কোথায় থাকবেন, কি খাবেন এবং কেনাকাটা করবেন কোথায়? এক্ষেত্রে হোটেল ভাড়া মোটামুটি কত পরবে? এই আইডিয়াটা পেতে পড়ে ফেলতে পারেন আর্টিকেলের এই অংশটুকু। 

মূলত পঞ্চগড়ের কিছু আবাসিক হোটেল রয়েছে, যেগুলো ওই স্থানে অনেকটাই জনপ্রিয়। আলোচনার এ পর্যায়ে আমরা পঞ্চগড়ের ঐ সকল আবাসিক হোটেলের ঠিকানা এবং ফোন নাম্বার সংযুক্ত করব, যেগুলো আমরা গুগল করে পেয়েছি। তাই নিচের ছকটি অনুসরণ করুন। 

আবাসিক হোটেলের নাম ও যোগাযোগের ঠিকানা
হোটেল মৌচাকপঞ্চগড় বাজার, পঞ্চগড়।মোবাইল নম্বরঃ ০১৭৩৭৩৪৮০৬৬
হোটেল প্রিতম (আবাসিক)পঞ্চগড় বাজার, পঞ্চগড় সদর, পঞ্চগড়।টেলিফোনঃ ০৫৬৮-৬১৫৪৫
হোটেল ইসলাম (আবাসিক)পঞ্চগড় বাজার, পঞ্চগড় সদর, পঞ্চগড়০১৭২১০১২৬২৫
সেন্ট্রাল গেষ্ট হাউসপঞ্চগড় সদরের বাজারে অবস্থিত০৫৬৮-৬১৯১৯
হিলটন বোর্ডিং (আবাসিক)কদমতলা, পঞ্চগড় বাজারপঞ্চগড়।টেলিফোনঃ ০৫৬৮-৬১৩২৮
নিরব রেষ্ট হাউসপঞ্চগড় বাজার, পঞ্চগড়।মোবাইলঃ ০১৭৩৪৩৪৪৭১৫
হোটেল রাজনগরপঞ্চগড় বাজার, পঞ্চগড় সদর, পঞ্চগড়।টেলিফোনঃ ০৫৬৮-৬২৪৬৮মোবাইলঃ ০১৭১৫-২১৯৩৭৩
হোটেল এইচ কে প্যালেসপঞ্চগড় বাজার, পঞ্চগড় সদর, পঞ্চগড়।টেলিফোনঃ ০৫৬৮-৬১২৩৯, ০১৭৫২২৪৩০৪৮
রোকখানা বোর্ডিংপঞ্চগড় সদরের বাজারে অবস্থিত০১৭১৪৯২৭৫৪৯

তবে হ্যাঁ, এছাড়াও মহানন্দা নদীর তীরের ডাকবাংলোতে থাকারও ব্যবস্থা করে নিতে পারেন আপনি। এর জন্য মূলত তেতুলিয়া উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তার কাছ থেকে অনুমতি পত্র নিতে হবে। এক্ষেত্রে ডাক বাংলোর প্রতি কক্ষের ভাড়া পড়বে ৪০০ টাকা। অন্যদিকে আমরা যে সকল আবাসিক হোটেলের ঠিকানা এবং নাম সংযুক্ত করেছি আপনি যদি এই সকল হোটেলে থাকতে চান তাহলে নন এসি রুমের জন্য ভাড়া পড়বে ৬০০ থেকে ৮০০ টাকা অন্যদিকে এসি ডাবল বেডের ভাড়া পড়বে হাজার থেকে পনেরশো টাকা। 

আশা করছি আমাদের এই ধারণাকৃত মূল্য একজন করে আপনি এটা অনুমান করতে পারবেন যে বাংলাবান্ধা জিরো পয়েন্ট ভ্রমনের জন্য ঠিক কত টাকা খরচ পড়বে। এখন চলুন আলোচনার শেষ পর্যায়ে কিছু প্রশ্ন ও তার উত্তর সম্পর্কে জেনে নেই। যেগুলো বাংলাবান্ধা জিরো পয়েন্ট ভ্রমণের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ। 

বাংলাবান্ধা জিরো পয়েন্ট ভ্রমণ নিয়ে বহুল জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন

১. তেতুলিয়া ডাক বাংলো থেকে কত দূরে বাংলা বান্ধা জিরো পয়েন্ট?

উত্তর: তেতুলিয়া ডাকবাংলা থেকে ২৭ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত বাংলাবান্ধা জিরো পয়েন্ট।

২. পঞ্চগড় থেকে তেতুলিয়াতে পৌঁছানোর বাসের টিকিট মূল্য কত?

উত্তর: এক একটি টিকিট মূল্য প্রায় ৫০ থেকে ৬০ টাকা।

৩. বাংলাবান্ধা জিরো পয়েন্টে খাওয়ার ব্যবস্থাপনা কেমন?

উত্তর: সেখানে আপনি আপনার পছন্দমত প্রত্যেকটি খাবার পাবেন না। তবে সেখানের কিছু হোটেলে বেশ সময় পূর্বে খাবার অর্ডার করে রাখলে দুই থেকে তিন ঘন্টার মধ্যে পেয়ে যাওয়া সম্ভব হবে। বলতে পারেন অন্যান্য পর্যটক স্থান গুলোর মত বাংলাবান্ধা জিরো পয়েন্টে খাবার তেমন ভালো সুব্যবস্থা নেই। 

৪. জিরো পয়েন্ট কি?

উত্তর: জিরো পয়েন্ট হচ্ছে একটি শব্দ। এখানে বাংলাবান্ধা জিরো পয়েন্ট হিসেবে একটি জায়গাকে ইঙ্গিত করা হয়েছে। যেখানে বাংলাদেশের সীমান্তের শুরু ও শেষ। 

৫. ঢাকার জিরো পয়েন্ট কোথায়?

উত্তর: ঢাকার জিরো পয়েন্ট গুলিস্থানে অবস্থিত। যার বর্তমান নাম নূর হোসেন স্কোয়ার।

৬. বাংলাদেশের জিরো পয়েন্ট কোথায়?

উত্তর: বাংলাদেশের জিরো পয়েন্ট পঞ্চগড়ের তেতুলিয়া উপজেলায়। 

৭. পঞ্চগড় থেকে বাংলাবান্ধা দূরত্ব কত?

উত্তর: পঞ্চগড় থেকে বাংলাবান্ধা জিরো পয়েন্ট এর দূরত্ব ৬২.৩ কিলোমিটার। 

 

নতুন দর্শনীয় স্থান